রাজধানীর উত্তরায় তীব্র গ্যাস সংকটে বিপাকে যানবাহন চালকরা

0
img_1786945299_6a829f131e73a

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটে বিপাকে পড়েছেন যানবাহনের চালকেরা। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রাইভেট কার ও সিএনজি পাম্পগুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। ভোর থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময়ে পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক গ্যাস পাচ্ছেন না।

সোমবার (৩১ আগস্ট) উত্তরা, বিমানবন্দর, আব্দুল্লাহপুর, খিলক্ষেত ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েক গুণ। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় সমস্যায় পড়ছেন যাত্রী ও পরিবহণসংশ্লিষ্টরাও। 

অনেক চালক বলছেন, গ্যাসের সংকটের কারণে দিনের একটি বড় অংশ পাম্পের লাইনে অপেক্ষা করতেই চলে যাচ্ছে। এতে কমে যাচ্ছে আয়, বাড়ছে গাড়ি পরিচালনার খরচ এবং তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত চাপ।

প্রাইভেট কারচালক জসিম বলেন, ভোর ৫টা থেকে লাইনে আছি, এখনো গ্যাস পাইনি। কীভাবে সামনে বাসা ভাড়া দিতে হবে, বুঝতে পারছি না।

অপর সিএনজিচালক করিম জানান, প্রতিদিন মহাজনকে জমা দিতে হয় ১ হাজার ২০০ টাকা। গ্যাস লাগে প্রায় ৫০০ টাকার। এর বাইরে সারাদিনে আমারও ২০০ থেকে ২৫০ টাকা খরচ আছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। গ্যাস না পাওয়ায় গত দুই মাস ধরে আয় বন্ধ।

গ্যাস সংকটের বিষয়ে এম এ মাসুদ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কামাল যুগান্তরকে জানান, বেশ কিছুদিন আগেও স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস ছিল। এরপর মাঝখানে কয়েক দিন গ্যাস একেবারেই পাওয়া যায়নি। গতকাল রাতে কিছুটা গ্যাস সরবরাহ হলেও বর্তমানে আবারও সংকট দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়মিতভাবে সিগন্যাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চাপের গ্যাস নেই। আমাদের স্টেশনের বাল্ব কম প্রেসারে ওপেন হয় না। ফলে যেসব স্টেশনের বাল্ব কম প্রেসারেও চালু হয়, তারাই কিছুটা গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

URL has been copied successfully!