২৫ কেজি গাজা উদ্ধার করে আত্মসাৎ করে পালিয়ে আছে স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন
ঢাকা রাজধানীর মুগদা থানা, মান্ডা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ।মান্ডা মুড়িওলী গলি চাঁন মজিদ এর পাসে আলমগীর হোসেন স্বাধীনের ৩ তলায় এক মাদক ব্যবসায়ী। বসবাস করে সে ধরা ছোঁয়র বাহিরে থাকে তাকে দেখে মনে হয় না সে এই মাদকের সাথে জরিত কিন্তু এটাই সত্যি সেই ব্যক্তি। একজন মাদক ব্যবসায়ী ১৩ মে রাত ১১ টায় নাসির নামের এক ব্যক্তি। মাদক ব্যবসায়ী কাছে টাকা কিছু টাকা পায় সেই টাকা চাইতে গেলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে নাসিরের সাথে ইসমাইল নামে এক। যুবক। ছিল।মান্ডা
৭১ নাং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক সে দেখতে পায় বস্তার ভিড়তি গাঁজা তাতে বোঝা যায়। ২৪থেকে ২৫, কেজি গাজা ছিল এতো গাজা দেখে সে কি করবো দিশেহারা হয়ে পড়েছে তাৎক্ষণিক সে দলীয় নেতাদেরকে ফোন দিয়ে নিয়ে আসে তারা আশার আগেই ইসমাইল ২০ কেজি গাজা সরিয়ে ফেরে। আর বাকি গাজা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা চলে যায় তারা একবারও থানায় ফোন করে কিছু জানাইনি একি এলাকার স্থানীয় সাংবাদিক বিষয়টি যানতে পায় সে তথ্য সংগ্রহ করে ইসমাইলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার কোন সাড়া পাওয়া যায়নি , ইসমাইল”২০কেজি গাজা নিয়ে পালিয়ে রয়েছে খুব চালাক চতুর ছেলে ইসমাইল তাকে কখনো পুলিশ ধরলে দলের নাম পরিচয় দিয়ে বেঁচে যেতো । ইসমাইল বিভিন্ন স্পটে চাঁদাবাজি করে আসছে সেই সাথে এলাকায়। মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি
মোশারফ মিয়ার বাড়ির নিচে মাদক ব্যবসায়ীর সাথে সারাক্ষণ বসে আড্ডা ও মাদক বিক্রি থেকে শুরু করে মাদক সেবন পর্যন্ত করে। থাকে লতার স্পোর্টস রিনার স্পোর্ট বুদ্দার স্পট। এমনি বিল্লাল বেলায়েত এর স্পট ইসমাইল কে সব সময় দেখা যেতো।
এ ধরনের ব্যক্তি দল থেকে বহিষ্কার করা হক এবং ইসমাইল যে ২০ কেজি গাজা সহ। পালিয়ে আছে সঠিক তদন্ত করে তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হোক।
