পলাতক থেকেও জুয়েলের অপরাধ সাম্রাজ্য সচল: ভাড়াটিয়াকে দিয়ে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড, পুলিশের ভূমিকা নিয়েএলাকাবাসির অভিযোগ
আশুলিয়া প্রতিনিধি,
মানব পাচার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি জুয়েল (পিতা: আবদুস সালাম) আত্মগোপনে থেকেই তার সহযোগী মনিরকে দিয়ে বিকেএসপিতে অবস্থিত জুয়েলের নিজের ভবন ড্রিমল্যান্ড আবাসিক হোটেলে মাদক সেবন ও বিক্রি সহ জুয়া,নীতিহিন ও অসামাজিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। অভিযোগ আছে, ড্রিমল্যান্ড আবাসিক হোটেল এর নামে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার অপরাধে গত মার্চ ও জুন মাসে মোট ৬৬ জন পতিতা ও খদ্দের গ্রেফতার করে কাশিমপুর থানা পুলিশ, এ বিষয়ে ২টি মানব পাচার এর মামলা হয়, যার মামলা নং : ৪০,তাং ৩১/০৩/২০২৬। এই মামলায় ভবন মালিক জুয়েল এখনও পলাতক রয়েছে।
স্থানীয়রা বর্মান দিনকালকে জানায়, মানব পাচারের মতো মারাত্মক অপরাধের পরোয়ানার বোঝা মাথায় নিয়ে আসামি জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছে। তবে সশরীরে সামনে না এলেও তার নিজস্ব ভবন ড্রিমল্যান্ড আবাসিক হোটেলে নিয়ন্ত্রণ করছে তার বিশ্বস্ত ভাড়াটিয়া মনির। মনিরের মাধ্যমে এলাকাটিতে নিয়মিত বসছে মাদকের আসর এবং পরিচালিত হচ্ছে নানা অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রতিদিন সন্ধা নামলেই ওই এলাকায় বহিরাগত ও মাদকসেবীদের আনাগোনা জ্যামিতিক হারে বেড়ে যায়, যা গভীর রাত পর্যন্ত বজায় থাকে।
পুলিশের নীরবতা ঘিরে প্রশ্ন সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পলাতক আসামির এমন বেপরোয়া অপরাধ কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে চালালেও স্থানীয় থানা পুলিশের ভূমিকা সম্পূর্ণ নীরব। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে বারবার মৌখিকভাবে অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তাকে রহস্যজনক বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, পুলিশের এই ঢিলেঢালা ভাব ও নীরব সমর্থনের সুযোগ নিয়েই আসামীরা পার পেয়ে যাচ্ছে।
