‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন’
“রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দুই একদিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, তিনি বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদের কাছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। স্পিকার দেশে না থাকায় তিনি এখনও পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি” বলে জানিয়েছেন বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা।ওই কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেন, বিষয়টাতে তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই। মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। এখন জাতীয় সংসদের স্পিকার দেশে ফিরলে তার কাছে পদত্যাগপত্র দেবেন রাষ্ট্রপতি।”রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ যাতে নির্বিঘ্নে হয়, কোনো বিতর্কের সৃষ্টি যেন না হয়– এমন পরিকল্পনা অনুযায়ীই প্রক্রিয়াগুলো এগিয়ে নেওয়ার চিন্তা রয়েছে,” বলে জানান রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।”আর সেজন্যই স্পিকারের দেশে ফেরার অপেক্ষায়। কারণ রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয় এবং রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য রাখা যাবে না।”জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে আছেন। তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে শুক্রবার দেশে ফিরছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরযুক্ত পত্র স্পিকারের উদ্দেশে পাঠিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।কর্মকর্তারা বলছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সময় স্পিকারকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা সংবিধানে নেই। কিন্তু রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে দেওয়া মাত্রই তার পদ শূন্য হয় এবং রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্পিকারকে দায়িত্ব নিতে হয়। সেজন্য স্পিকার দেশে ফিরলে একটা সময় ঠিক করে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করবেন।

