রাজধানীর সায়দাবাদ,যাত্রাবাড়ি,ধোলাইপার ও ডেমরা এলাকায় আল-আমিন ওরফে মাসুম এর তথাকথিত আবাসিক হোটেল এর নামে মাদক ও নারী দিয়ে দেহ ব্যবসার নৈরাজ্য
আল-আমিন ওরফে মাসুম দির্ঘ্য দিন ধরে আবাসিক হোটেলের নামে পতিতালয় পরিচালনা করে আসছে বলে তথ্য পায় বর্তমান দিনকাল এর অনুসন্ধানী টীম। বিস্তারিত অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল, সায়দাবাদে আবাসিক হোটেল “নিউ স্বাগতম” যাত্রাবাড়ি আবাসিক হোটেল “রংধনু” ধোলাইপার আবাসিক হোটেল “প্যারিট” ও ডেমরা এলাকায় আবাসিক হোটেল “প্রিয়তমা” এই তথাকথিত আবাসিক হোটেল গুলি
পরিচালনা করে আসছে আল-আমিন ওরফে মাসুম। অনুসন্ধানে আরো যানা যায় এই তথাকথিত আবাসিক হোটেলের নেই কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই কোনো পরিবেশের ছারপত্র। ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা এই আবাসিক হোটেলগুলিতে মাদক,জুয়া,পতিতাবৃত্তি সহ ঘটে ধর্ষনের মত গুরুতর অপরাধ। দৈনিক বর্তমান দিনকালের হাতে আরো তথ্য আসে এই আল-আমিন ওরফে মাসুম ও তার সহযোগী রাশেদ ও শান্ত কিছুদিন আগে দুবাই গিয়েছিলো নারী পাচারের উদ্দেশ্যে। এই বিষয়ে এলাকাবাসির সাথে কথা বললে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জৈনক এক এলাকাবাসি যানান এই নোংড়া অপরাধের সাথে জরিত আবাসিক হোটেল গুলির কারনে এলাকায় ভদ্রভাবে বাস করাই কঠিন হয়ে পরেছে,প্রতিনিয়ত বেরেই চলছে মাদক ও মাদকসেবীর সংখ্যা। এছারা এই তথাকথিত আবাসিক হোটেলের লোকজন প্রকাশ্যদিবালকে নারীব্যবসা করেযাচ্ছে ও তা করার জন্য আহবান করছে তার প্রমান পুরো সায়দাবাদ,যাত্রাবাড়ি,ও ধোলাইপার এলাকায় তারা আবাসিক হোটেলের নামে ভিজিটিং কার্ড ছরিয়ে দিচ্ছে ।
রাস্তায় চলাচলরত পথচারির হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে এইসব ভিজিটিং কার্ড এতে পরিবার নিয়ে অস্বস্তিতে ও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরছে সাধারন মানুষ। এলাকাবাসি আরো যানান যাত্রাবাড়ি থানার ৩০০ গজের মধ্য অবস্থিত এইসব আবাসিক হোটেলের নামে পতিতালয় পরিচালনার সাহস তারা কিভাবে করে পুলিশের ভূমিকা নিশ্চুপ কেনো।
