দূর্নীতির মামলায় এস আলম-পি কে হালদারদের বিরুদ্ধে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

0
images (2)

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৩৪ কোটি ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ওরফে এস আলম, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আরো তিন জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ১৫ সাক্ষীদের মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

রবিবার (৯ অগাস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সাক্ষীরা হলেন—আভিভা ফাইনান্স লিমিটেডর এমডি ও সিইও মোহাম্মদ মোদাচ্ছের হাসান, যৌথমূলধন কম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের সহকারী নিবন্ধক অন্তত কুমার পাল, ডিপোজিট অপারেশনসের এভিপি এবং হেড অব সিআরএম মিদহাত আজিজ।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্ট্রেনোগ্রাফার সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সাক্ষীদের মধ্যে মিদহাত আজিজের জেরা শেষ হয়েছে। অপর দুই জনের জেরা হয়নি।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দুই জনের জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য হয়েছে।

গত ১৯ জানুয়ারি এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। মামলার অপর আসামিরা হলেন—এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস, রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লি. এর (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না এবং মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আসামিদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আছেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারির মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওইদিন সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক।

এরপর ২২ জুন ৫ জন ও ৮ জুলাই ৪ জন এবং ১৯ জুলাই একজন সাক্ষ্য দেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন ও ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিতরণের অভিযোগ আনা হয়। এই টাকা এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে ১৬ অক্টোবর তাহাসিন মুনাবীন হক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আজকের গরম সংবাদ

URL has been copied successfully!