বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সময় ছাত্রশিবির ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিলো
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সময় ছাত্রশিবির ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিলো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, সবাই যদি কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতো তবে আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে কাউকে রাস্তায় পাওয়া যেত না।
আজ বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
তার দাবি, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির, বিষয়টা কষ্টদায়ক বলে মন্তব্য করেছে আবরার ফাহাদের বাবা। রাশেদ খান বলেন, আবরার ফাহাদকে শিবির তকমা দিয়ে হত্যা করা হলে তার বিচারের দাবিতে সেসময় ঢাবিতে মিছিল বের হয় তৎকালীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্ব। ২০১৮-২০২৪ পর্যন্ত ভিপি নুর ছিলেন আন্দোলন সংগ্রামের অগ্নিপুরুষ।
আর শিশির মনিররা ছিলেন আবরার ফাহাদের খুনি ছাত্রলীগের পক্ষের কাপুরুষ।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ছাত্রশিবির তখন ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিলো। আমরাও সবাই যদি এভাবে কায়দা করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতাম, তবে আবরার ফাহাদ হত্যার পরে প্রতিবাদের জন্য একটা লোক রাস্তায় পাওয়া যেত না।
আন্দোলনের কঠিন দিনগুলোতে বর্তমান শিবিরের ভিপি জিএসদের কোনো অস্তিত্ব ছিলো না দাবি করে তিনি বলেন, তারা ছিলেন হল ও ডিপার্টমেন্ট পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা।
আজকে যে ভিপি নুরকে নিয়ে জামায়াত-শিবির গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এক ভিপি নুরের যে অবদান আছে, পুরো জামায়াত-শিবিরের সেই অবদান নেই।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ২০১৮ থেকে ২০২৪ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এই কঠিন সময়ে ভিপি নুর একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী তরুণ নেতৃত্বর নাম। জামায়াত-শিবির আর ১০০ জন সাদিক কায়েম জন্ম দিলেও এক ভিপি নুরের একশো ভাগের এক ভাগ হতে পারবে না। ভিপি নুরুর মানে পুরোটাই সাহসের কলিজা।
